Skip to main content

অন্যের সাথে আচরণ

আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ

“মুসলিম সেই যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে। হিজরতকারী হল সেই ব্যক্তি যে আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন তা থেকে বিরত থাকলো।” (বুখারী)

 এই হাদিসটি একজন মুসলিমকে কিভাবে একজন আদর্শ এবং মান-মস্পূর্ন মুসলিম হিসাবে জীবন পরিচালনা করতে হবে তা বলে দেয়। এইভাবে, আমাদের নবী (সঃ) প্রকৃত মুসলমানের গুণাবলীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করিয়েছেন।

আমাদের রসূল (সাঃ) এখানে হাতের আগে জিহ্বার উল্লেখ করেছেন, কারন অপরের দুর্নাম, পরচর্চা এবং অপমান অন্য একজনকে শারীরিকভাবে আহত করার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি করে। কেউ  যদি অন্যকে মৌখিক ভাবে আক্রমন করা থেকে বিরত থাকতে পারে তবে  শারীরিক আক্রমন করা থেকে বিরত থাকা আরো বেশি সহজ হয়ে যাবে। বিশেষ করে, শারীরিক সহিংসতার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষা করা সহজ কিন্ত পরচর্চা এবং অপবাদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষা করা অনেক কঠিন।

হিজরত মানে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির জন্য নিজের পরিবার, বাড়ি, সম্পত্তি এবং জন্মভূমি ত্যাগ করার চেয়েও বেশি কিছু। হিজরতের পরে নিজেকে আরো মজবুত করতে যা করতে হবে তা হলো দুনিয়ার আকর্ষণ থেকে নিজেকে সরিয়ে আধ্যাত্মিক জীবনের দিকে নজর দিতে হবে। দুনিয়াবী আনন্দ উৎসব থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে আখেরাতের জন্য কল্যাণময় জীবন যাপন করতে হবেন। এবং দুনিয়ার স্বার্থ ত্যাগ করে আল্লাহর দিকে মনোযোগী হতে হবে এবং আল্লাহমুখী হয়ে বাঁচতে হবে।

অতএব, আল্লাহ্‌র নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার সাথে একজন ভালো মুসলিম হওয়া এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মানুষের সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।

সুত্রঃ  “The Messenger of God: Muhammad” – Fethullah Gulen, pp. 104-105 / ভাবানুবাদঃ ফাতেমা বিনতে আযাদ

Leave a Reply