Skip to main content

 

অন্যের অধিকার

যে সব কাজ যার দ্বারা মানবিক অধিকার ক্ষুন্ন হয়; কেউ আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং ব্যক্তি, সম্পত্তি বা মর্যাদা ক্ষতিগ্রস্থ হয় তা সম্পূর্ণরূপে হারাম- ঠিক যেমন শুয়োরের মাংস, অ্যালকোহল বা সুদ খাওয়া হারাম।

বাস্তবতার পেক্ষিতে, জরুরী পরিস্থিতিতে যখন হারাম খাবার খাওয়ার ব্যাপারে কোরআনে কিছুটা নম্রতা দেখানো হয়েছে কিনতু অন্যের সম্পত্তি দখল না করা, গীবত না করা বা অপবাদ না দেওয়ার মতো নিষেধাজ্ঞাগুলি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোন অবস্থায় নমনীয়তার সম্ভবনা ইসলাম দেয়নি। এদের শাস্তি শুধু জাহান্নাম। এর চেয়েও খারাপ বিষয় হবে যে, আল্লাহ এই ধরনের অপরাধীদের সাথে কথা বলবেন না এবং তাদের পাপগুলো মাফ করবেন না। (আল-ইমরান / আয়াত ৭৭)

ব্যক্তিগত অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে এমন ক্ষেত্রে আল্লাহর কাছ থেকে কোন ক্ষমা নেই: ক্ষমা শুধুমাত্র সংশিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে আসতে পারে – হয় সরাসরি অথবা যখন আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে এই ধরনের ক্ষমা প্রদান করার ব্যাবস্থা করে দিবেন। সুতারং এই ধরনের কাজ থেকে নিজেকে রক্ষা করুন। আর যদি আপনি অন্যের অধিকার লঙ্ঘন করতে থাকেন তবে এই পৃথিবীতে থাকা অবস্থায় তাদের কাছে ক্ষমা চান, নইলে শেষ বিচারের দিন আপনি একেবারে নিঃস্ব ও দেউলিয়া হয়ে পড়বেন।

সংকলিত: “আল্লাহর জন্য মৃত্যু ও বেঁচে থাকা” – খুররম মুরাদ

Leave a Reply