Skip to main content

আমি (আল্লাহ্‌) তাদের (বান্দার) কাছেই আছি।”

আল-বাকারাহ-১৮৬ (আংশিক)

আল্লাহর নৈকট্য ব্যক্তির হৃদয়ের অবস্থার উপর নির্ভর করে।

যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি উদাসীন এবং অমনোযোগী  সে তো স্বাভাবিক ভাবে আল্লাহর কাছ থেকে দূরে রয়েছে।

অন্যদিকে, যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি মনোযোগী হয় এবং যার অন্তর আল্লাহর স্মরণে  সদা জাগ্রত; আল্লাহর নিয়ামতের জন্য কৃতজ্ঞ; বিপদ-আপদ ও পরীক্ষার সময় ধৈর্যশীল এবং অবিচল থাকে এবং আল্লাহর কাছে  সাহায্য ও সহায়তার জন্য বিনীতভাবে প্রার্থনা করে,

আল্লাহ প্রকৃতপক্ষে সে  ব্যক্তির  অতি নিকটে, তার শিরা থেকেও নিকটবর্তী।

যে আমাকে(আল্লাহকে) ডাকে আমি(আল্লাহ) তার ডাক শুনি এবং জবাব দেই।

আল-বাকারাহ-১৮৬ (আংশিক)

যখনই কোন বান্দা তার প্রতিপালকের আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে তখন আল্লাহ্‌ তার ডাকে সাড়া দেন এবং তার প্রার্থনা কবুল করেন। এটি অসম্ভব যে কোনও বান্দা তার প্রতিপালকের কাছে দোয়া করেছে  এবং এরপরেও মহান আল্লাহ্‌ তার কোন উত্তর দিচ্ছেন না।  দোয়া কবুলের একমাত্র শর্ত হল আন্তরিকতা ও নম্রতার সাথে আল্লাহর কাছে আকুতি মিনতি করা।

কোন বান্দা যদি তার প্রতিপালকের কাছে সঠিক জিনিষের জন্য যথাযথ ও বিনীতভাবে প্রার্থনা করে তবে তার দোয়া অবশ্যই কবুল হবে।

যদি তাৎক্ষণিকভাবে সে দোয়া কবুল না হয়, তবে বুঝতে হবে ‘দোয়া কবুল হওয়া’ ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষিত আছে। এমনকি  বান্দা যা চেয়েছিল তার চেয়ে অনেক ভাল জিনিষ আল্লাহ্‌ তাকে দিতে পারেন।

“তাদের আমার(আল্লাহর) আহবানে সাড়া দেয়া এবং আমার(আল্লাহর) ওপর ঈমান আনা উচিত।”

আল-বাকারাহ-১৮৬ (আংশিক)

আল্লাহ তাঁর বান্দাদের নিকটবর্তী হন, তাদের আহ্বান ও প্রার্থনা শোনেন ও সাড়া দেন, এই প্রেক্ষাপটে অবশ্যই বান্দাদেরও আল্লাহর আহ্বানে সাড়া দেওয়া উচিত এবং তাঁকে বিশ্বাস করা উচিত।

আল্লাহর কাছ থেকে মুখ ফিরে নেওয়া কিংবা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যকে অনুসরণ করার সামান্যতম  যুক্তি থাকা উচিত নয়।

প্রকৃতপক্ষে এটি নিজের প্রতি চূড়ান্ত অন্যায়ের কাজ যে আল্লাহর কোন আদেশকে আপত্তি ও সন্দেহের সাথে দেখে একটি বিচ্যুতির পথ অবলম্বন করা

বিশেষত যখন আমদের প্রতিপালক পরম করুণাময় আল্লাহ্‌ শরিয়তের সমস্ত অদেখা বা অস্পষ্ট দিক ব্যাখ্যা ও সমাধান করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত।

সুত্রঃ “Pondering Over The Qur’an: Surah al-Fatiha and Surah al-Baqarah” – Amin Ahsan Islahi

ভাবানুবাদঃ মাসুদ আলী

Leave a Reply