- গতকাল আপনি যখন দুঃখ পেয়েছিলেন, তখন আপনি বিষণ্ণ হয়ে আপনার পরিস্থিতির কি কোন উন্নতি করতে পেরেছিলেন?
- আপনার ছেলে স্কুলে ফেল করেছে এবং আপনি বিষণ্ণ হয়ে পড়েছেন, তবুও কি আপনার পরিস্থিতির পরিবর্তন করতে পেরেছেন?
- আপনার বাবা মারা গেলেন, আর আপনি হতাশ হয়ে গেলেন, তবুও কি তাকে ফিরে পেয়েছেন?
- আপনি আপনার ব্যবসা হারিয়েছেন, এবং আপনি স্বাভাবিকভাবে দুঃখিত হবেন। কিন্তু এতে কি আপনার লোকসান লাভে রূপান্তরিত হয়ে আপনার অবস্থার পরিবর্তন করেছে?
বিষণ্ণতা এড়িয়ে চলুন: আপনি একটি বিপর্যয়ের কারণে হতাশাগ্রস্ত হয়েছিলেন এবং এটি করে অতিরিক্ত আরও একটি বিপর্যয় তৈরি করলেন। আপনি হতাশ হয়ে ভাবলেন আপনি গরীব হয়ে গেছেন এবং এটি আপনার পরিস্থিতির তিক্ততাকে বাড়িয়ে দিয়েছিল। আপনি বিষণ্ণ হয়ে এমন এক মানসিক অবস্থায় প্রবেশ করলেন যে আপনি আপনার অজান্তেই আপনার শত্রুদেরকে আবার আক্রমন করতে সাহায্য করলেন। আপনি বিষণ্ণ কারণ আপনি আরও একটি নতুন বিপদ আশা করেছিলেন, কিন্তু তা এখনও ঘটেনি, আলহামদুলিল্লাহ্। তাই মন খারাপ করে কোন লাভ হবে কি?
বিষণ্ণতা এড়িয়ে চলুন: কোন বিশাল প্রাসাদ আপনাকে বিষণ্ণতার প্রভাব থেকে রক্ষা করতে পারবে না। এমনকি কোন সুন্দর স্ত্রী, প্রচুর সম্পদ, একটি উচ্চ পদ বা উজ্জ্বল সন্তানও পারবেনা আপনার বিষণ্নতা দূর করতে।
বিষণ্ণতা এড়িয়ে চলুন: দুঃখের কারণে আপনি স্বচ্ছ পানির দিকে তাকালে সেখানেও বিষ দেখবেন; একটা সুন্দর গোলাপকে ক্যাকটাস মনে করবেন; একটি ছিমছাম বাগানের দিকে তাকালে একটি অনুর্বর মরুভূমিই দেখতে পাবেন এবং তখন আল্লাহর এই বিশাল এবং প্রশস্ত পৃথিবীতে বাস করে মনে করবেন আপনি একটি অসহনীয় কারাগারে আছেন।
বিষণ্ণতা এড়িয়ে চলুন: বেঁচে থাকার জন্য আপনার কাছে এক সত্য দ্বীন (চলার পথ) আছে। থাকার জন্য একটি ঘর, খাওয়ার জন্য রুটি ও পানীয় জল, পরার জন্য পোশাক, প্রশান্তির জন্য জীবন-সাথী আছে – তাহলে বিষণ্ণতা কেন?
সুত্রঃ “Don’t Be Sad” – Aaidh ibn Abdullah al-Qarni / ভাবানুবাদ_মাসুদ_আলী
